কুলাউড়া প্রতিনিধিঃ
৯ এপ্রিল কুলাউড়া উপজেলার ষ্টেশন চৌমুহনীতে কোটা সংস্কারের দাবীতে সাধারণ ছাত্ররা একত্রিত হয়ে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করার উদ্যোগ গ্রহণ করে। এতে কোটা সংস্কারের জন্য সরকারের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ৫ দফা দাবী জানানো হয়। গত ৮ই এপ্রিল ঢাকাস্থ কোটা সংস্কারের আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশের অতর্কিত হামলার প্রতিবাদে ও কোটা সংস্কার করে ১০% এ নিয়ে আসার জন্য এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। উল্লেখ্য, সারাদেশে বিগত কয়েকমাস যাবৎ ক্রমাগত আন্দোলন জানিয়ে আসছে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীরা।

তাদের ৫ দফা দাবী হলো ১। চাকুরীতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কার করে ৫৬% থেকে ১০% এ নিয়ে আসতে হবে, ২। কোটায় যোগ্য প্রার্থী না পাওয়া গেলে শূন্য পদগুলোতে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে, ৩। চাকুরির নিয়োগ পরীক্ষায় কোটা সুবিধা একাধিকবার ব্যবহার নয়, ৪। কোটায় কোন ধরণের বিশেষ নিয়োগ পরীক্ষা নয়, ৫। চাকুরিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে সবার জন্য অভিন্ন বয়সসীমা করতে হবে। কুলাউড়ার স্থানীয় কতেক শিক্ষার্থী প্রতিনিধিরা বলেন, এ দাবী তাদের ন্যায্য দাবী, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ অহেতুক বাধা প্রদান করতেছে এবং তাদের ব্যানার নিয়ে নিয়েছে। এতে স্বাধীন মতপ্রকাশ ব্যাহত হয়েছে। কুলাউড়া থানার এস.আই বাশার মানববন্ধনের ব্যানার নিয়ে সাধারণ ছাত্র প্রতিনিধি দলের কয়েকজনকে জানান, তিনি উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে চৌমুহনাতে জড়ো হতে এ বাধা প্রদান করেছেন এবং ব্যানার নিয়েছেন, প্রয়োজনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জের সহিত যোগাযোগ করে অনুমতি সাপেক্ষে আন্দোলন করতে। তখন মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী সাধারণ শিক্ষার্থীরা চলে যায় এবং শিক্ষার্থীরা কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আন্দোলন থেকে সরে না গেলে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন।
প্রাইভেট ডিটেকটিভ/১১এপ্রিল২০১৮/ইকবাল